বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ৫টি ব্যবসার আইডিয়া

আজকে আমরা আমাদের এই আর্টিকেল  বর্তমানে সবথেকে কিছু 

লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে আলোচনা করব।

 
বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ৫টি ব্যবসার আইডিয়া

 

 

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি ? এই বিষয়টা নিয়ে কিন্তু  
বলতে গেলে প্রত্যেক দিন ইউটিউব গুগলে সার্চ করা হয়। 

অনেকমানুষের আয়এইবিষয়টি জানারজন্যআগ্রহীসেবর্তমানে সবচেয়ে লাভজনকব্যবসাএখনকোনটাএইবিষয়টা জানতেচায়  অনেকে।  

সত্যিকথাবলতেতোসরকারিচাকরিকরিসকলেইচায়, কিন্তুআপনারাযদি  খুঁজেন  তাহলে  এমন  লোকপাবেনযারাচাকরিকরতেচায়না।তারানিজেরপায়েদাঁড়িয়ে নিজেএকটাব্যবসাচালাতে  চায়, একটাব্যবসাপরিচালনা করতেচায়  যাতেতারকোম্পানিতে আরোকিছুকাজকরতেপারে।আরোকিছুকর্মসংস্থান যাতেকরেসেতৈরিকরেদিতেপারে।  

 

{tocify} $title={Table of Contents}

 

অনেকেরয়েছেন যারাব্যবসাকরতেপছন্দকরে।অর্থাৎ,স্বাধীন ভাবে কাজ করতেপছন্দকরে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখাযায়যে  আমাদেরদেশেরতরুণতরুণীরাই ব্যবসা শুরু করারজন্যতাদেরবেশিআগ্রহথাকে 

. One Time Glass প্লেট কাপের ব্যবসা  

বর্তমানে বাংলাদেশের সবজায়গাতেই কিন্তুএখনওয়ানটাইমগ্লাস ওয়ান টাইম প্লেটের প্রচুরপরিমাণে চাহিদারয়েছে। এটাকিন্তুএকটাপরিবেশবান্ধবপ্রোডাক্ট, আরতাইএরব্যবহার লক্ষণীয়। 

প্রতিনিয়ত এভাবেকিন্তুএরব্যবহার করাবেড়েইচলেছে সব জায়গাতেই ব্যবহার করাহয়যেমনমনেকরেনযে, ইভেন্ট, পিকনিক,জন্মদিন , বিয়ের সময়, স্কুল,কলেজে, ইউনিভার্সিটিরফাংশন গুলোতে এই কাগজের  বানানো প্লেট গুলোর কিন্তু অনেক চাহিদা রয়েছে। সহজ ভাবে বলতে গেলে কিন্তু , একবার ব্যবহার করে  ফেলে দেওয়া যায় আর এই কারণে কিন্তু এই সমস্ত থালাবাসন গুলোর প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে।  

প্লাস্টিক কিন্তু আমাদের পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর একটি জিনিস। আর তার সাথে সাথে কিন্তু প্লাস্টিকের দাম অনেক বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। আর তার জন্যই কিন্তু  ওয়ান টাইম থালা বাসন  গুলোর কিন্তু অনেক চাহিদা রয়েছে। রেস্টুরেন্টেঅথবা হকার যারা রয়েছে তারা কিন্তু ওয়ান টাইম জিনিস গুলো প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করে থাকে। 

Read More – লাভজনক স্টক মালের ব্যবসার আইডিয়া 

 

Read More – অন পেজ এসইও কি,অনপেজ এসইও কিভাবে করবেন?

প্লেট গ্লাস তৈরি করতে যে পরিমাণে কাগজের দরকার হয় তার দাম কিন্তু তুলনামূলকভাবেঅতটা বেশী নয় লোকাল যে সমস্ত মার্কেট রয়েছে সেখানে কিন্তু আপনার এই কাজগুলো পেয়ে যাবেন খুবই স্বল্প মূল্যে কিন্তু এই প্রোডাক্টগুলো বানানোর জন্য আপনাদের একটি মেশিন কিনতে  হবেআর মেশিনের  দাম  মিনিমাম ৬০,০০০ টাকার কাছাকাছি হবে   

আপনারা যদি মেশিন কিনে নিয়ে আর তার সাথে সাথে অল্প কিছু জ্ঞান দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে। 

. কফি শপের দোকান দিতে পারেন  

বর্তমান সময়ে কিন্তু অনেকেই কফি খেতে পছন্দ করেন। আর আপনারা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিন্তু চাইলেই একটা কফিশপের দোকান দিতে পারেন ।বর্তমানে মানুষের যে পরিমাণে চাহিদা রয়েছে তার থেকে কিন্তু কফি শপের দোকান তুলনামূলকভাবে অনেক কম রয়েছে। বিশেষ ভাবে বললে কিন্তু এটা ঢাকা শহরের জন্য একটা চমৎকার সুযোগ।  

যদি আপনাকে ভালোভাবে কফি বানাতে পারেন , কফি বানানোর হাত যদি আপনাদের ভাল হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনারা একটি ভালো জায়গা দেখিয়ে সেখানে কিন্তু একটা দোকান দিতে পারে অর্থাৎ যেখানে  আপনাদের ব্যবসাটি  দিলে বেশি চলবে  এমন একটি জায়গা খুঁজে বের করে সেখানে আপনাদেরকেএকটি দোকান দিতে হবে   

কফিশপ দিতে যদি চান তাহলে সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনাদের মনে রাখতে হবে যে , কফি শপ দেওয়ার জন্য কিন্তু একটি ভালো জায়গা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়

বিশেষ করে স্কুল কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয় , পার্ক অথবা বাণিজ্যিক যে সমস্ত এলাকা রয়েছে অথবা আবাসিক এলাকা, সে সমস্ত জায়গায়কফিশপের কোন ভালো দোকান নেই। এই সমস্ত জায়গায়কিন্তু আপনারা কফিশপে দোকান দিতে পারেন ইচ্ছে করলে। 

একটি জিনিস কিন্তু অবশ্যই আপনাদেরকেনিশ্চিত করে নিতে হবে , আর সেটা হচ্ছে  সেখানকারপরিবেশ।  মানুষেরাবিশেষ করে কিন্তু আসলে  শান্ত  আর  আরামদায়ক  পরিবেশ কফি  খেতে যাওয়ার জন্য পছন্দ করে থাকে। আপনারা যদি আপনাদের গ্রাহকদেরজন্য ভালোভাবেচেয়ার টেবিল ব্যবস্থাপনা করে দিতে পারেন তাহলে এটা কিন্তু অনেক ভালো হবে  আপনার জন্য।  

একটি ছোট কফিশপ দোকান দেওয়ার জন্য প্রাথমিক অবস্থায়আপনার থেকে দুই লাখ টাকা লাগতে পারে। আর আপনাদের প্রতি মাসে ইনকাম হতে পারে প্রায় ধরুন যে 40 থেকে 50 হাজার টাকার মতো।  

. টিশার্টের ব্যবসা শুরু করতে পারেন  

বর্তমানে কিন্তুঅনেকেইএখনটিশার্ট পরতে পছন্দকরে।আরআপনারাচাইলেকিন্তুএইটিশার্ট নিয়ে ব্যবসাশুরুকরতে।আপনারাগার্মেন্টস থেকেপাইকারি দামেঅনেকগুলো টিশার্টকিনেসেগুলোকিন্তুআপনারাএকটিদোকানদিয়েসেখানেবিক্রিকরতেপারেন।  

আরএইব্যবসাতে  কিন্তু পরিমাণে লাভ  রয়েছে।আর এইব্যবসাশুরুকরেছেনআপনারদুইলাখটাকারমতোলাগতেপারে।আরআপনারপ্রতিমাসেলাভহতেপারেবেড়ে50 হাজারটাকারউপরে। 

ইকমার্স ব্যবসা 

বর্তমানে  সবথেকে লাভজনক ব্যবসার ভেতরে কিন্তু এখন  ইকমার্স ব্যবসাটি  অনেকটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে   কারণ  বলা যায় এখন প্রায়  ৯০% মানুষ যেকোনো  কিছু কিনতে যাওয়ার আগে সেই জিনিস সম্পর্কে গুগোল সার্চ করে সেই বিষয় সম্পর্কে প্রথমেই জেনে নেই   

আর তারপরে যদি তারা মনে করে যে জিনিসটা আসলেই ভালো হবে তাহলে তারা সেই জিনিসটাকে অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার করে  দেয় 

আর তাই বর্তমানে কিন্তু এখন আস্তে আস্তে করে  ইকমার্স ব্যবসাটি দিনদিন জনপ্রিয়তার উচ্চ শিখরে উঠে যাচ্ছে আপনাদের যদি কোন ধরনের প্রোডাক্ট থাকে তাহলে কিন্তু আপনারা চাইলেই কমার্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন  

আপনারা যদি একটি কমার্স ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনাদের প্রথম অবস্থায় তিনটি জিনিসই দরকার হবে

 

·        ডোমেইন    হোস্টিং সার্ভার

·        একটা   প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট 

·        আপনাদের  প্রোডাক্ট   কাস্টোমারস

 

আপনাদের যদি ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে ভালভাবে কোন ধারনা থাকে তাহলে আমরা আমাদের এই ওয়েবসাইটে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করেছেসেই আর্টিকেল এর ভেতরে ডোমেইন হোস্টিং কি কেন ব্যবহার করবেন কিভাবে ব্যবহার করতে হয় এবং এই ডোমেইন হোস্টিং কিনতে আপনার কি পরিমাণ অর্থ খরচ হতে পারে এবং আপনাদের ওয়েবসাইটে কিভাবে এইগুলো সেটআপ করবেন সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত একটা আর্টিকেলে আমাদের ওয়েবসাইটে তথ্য দেওয়া রয়েছে  

আপনারা যদি চান সেই আর্টিকেলটি পড়ে আসতে পারেন তাহলে আশা করি যে ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে এবং ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য  খুব সহজেই বুঝতে পারবেন  

আপনাদের ভিতরে যদি  ধৈর্য পরিশ্রম  থাকে তাহলে সেটা দিয়ে কিন্তু আপনারা একটি কমার্স বিজনেস দাঁড় করাতে পারেন এবং এই ব্যবসায় কিন্তু শুধুমাত্র লাভ ছাড়া আপনারা অন্য কিছু দেখতে পারবেন না এই ব্যবসা শুধু আপনাদের লাভ হবে।  

. সার্ভিসিং করার ব্যবসা শুরু করতে পারেন  

সার্ভিসিং ব্যবসা বলতে  বর্তমান সময়ে এখন কিন্তু  মোবাইল ফোন   /কম্পিউটার/ বিভিন্ন রকমের ইলেকট্রনিক্স জিনিস সার্ভিসিং করানোকে বোঝানো হয়ে থাকে   আপনারা যদি এই গুলোর ভিতরে কোন একটা বিষয়ে এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে এই সার্ভিস দিয়ে কিন্তু আপনারা ব্যবসা শুরু করতে পারেন   

যদি আপনারা মোবাইল সার্ভিসিং সম্পর্কে ভাল জানেন এই বিষয় সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকে তাহলে কিন্তু আপনারা মোবাইল সার্ভিসিং এর একটি দোকান দিতে পারেন  

আর যখন আপনাদের  দোকানঅনেক বড় হয়ে যাবে  অর্থাৎ যখন  আপনাদের দোকান সম্পর্কে অনেক মানুষ জানবে আপনাদের দোকানে যখন অনেক কাস্টমার আসবে তখন আপনারা চাইলে মোবাইল সম্পর্কিত  মানেমোবাইলের বিভিন্ন পার্স এগুলো বিক্রি করতে পারেন।  

ডিজিটাল যুগে কিন্তু এখন বর্তমানে সকলের কাছে মোবাইল রয়েছেছোটথেকে বড় সকলের কাছে মোবাইল ফোনে এখন ঘরে ঘরে রয়েছে   বিভিন্ন সময় দেখা যায় যে, এই শখের   মোবাইল ফোন  গুলো নষ্ট হয়ে যায়   ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায় অথবা , মোবাইলের স্ক্রিনচার্জার এই সমস্ত জিনিস গুলোতে অনেক সময় সমস্যা দেখা  দিতেথাকে। 

আর এই সমস্ত জিনিস গুলো ঠিক করার জন্য কিন্তু আপনার কোন ধরনের মূলধনের দরকার হবে না এখন আপনাদের যদি এই বিষয় সর্ম্পকে ধারনা থাকে অর্থাৎ মোবাইল সার্ভিসিং কিভাবে করে এই বিষয় সর্ম্পকে ধারনা থাকে তাহলেও কিন্তু কোন সমস্যা নেই

আপনারা চাইলে কিন্তু কোনো ট্রেনিং সেন্টার থেকে অর্থাৎ যেখানে মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ শেখানো হয় আপনারা সেখান থেকে তিন মাস বা ছয় মাসের  একটিকোর্স সম্পন্ন করে আপনারা মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ গুলো শিখে তারপরে কিনতে চাইলে আপনারা মোবাইল সার্ভিসিং এর একটি  দোকান দিতে পারবেন খুব সহজে  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *