গ্রামে লাভজনক ৫টি ব্যবসার আইডিয়া (small business)

আজকে আমরা আমাদের এই আর্টিকেলের ভিতরে আপনাদের সাথে 

গ্রামের কিছু ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে আলোচনা করব,

আর যে  ব্যবসা গুলো আপনারা গ্রামে ব্যবসা করতে পারবেন।

 
গ্রামে লাভজনক ৫টি ব্যবসার আইডিয়া (small profitable business ideas)

 

আশা করি যে আজকের আমাদের এই তথ্যগুলো আপনাদের বাস্তব জীবনে অনেক  কাজে লাগবে ,আপনারা এখান থেকে যেকোন একটা পছন্দ করে সেই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন আশা করি। 

 

{tocify} $title={Table of Contents}

 

তাহলেআসেনআরকথানাবাড়িয়ে শুরুকরিযেকিভাবেআপনারাগ্রামেব্যবসাশুরুকরবেন, কি কি ব্যবসাআপনারাগ্রামেবসেকরতেপারবেনসেইসকলবিষয়গুলো সম্পর্কে আসুনজেনেনিইআমরা।  

. ফাস্টফুডের দোকান দিতে পারেন  

 শহরে গেলেকিন্তুপ্রায়জায়গাতেই দেখাযায়যেফাস্টফুডের দোকানরয়েছে।ছোটশহরযেগুলোরয়েছেবিশেষভাবে  গ্রামে কিন্তুএইব্যবসার প্রতিযোগিতা অনেককম।অর্থাৎ, এইব্যবসা  কিন্তুগ্রামাঞ্চলে যারাথাকেনসেখানকার মানুষবেশিপরিমাণে কোনশহরেরমানুষদের থেকে। 

আরতাইআপনিযদিচানতাহলেকিন্তুগ্রামেএকটি  ফাস্টফুডের এরদোকানদিতেপারেন।  আরএইব্যবসাশুরুকরারজন্যআপনারাকিন্তুপ্রথমাবস্থায় অল্পটাকাদিয়েশুরুকরতেপারবেনচাইলে  

দোকান ভাড়া নেওয়া , বাসন পত্র, গ্যাস  এই সমস্ত জিনিস পত্র গুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন কিন্তু আপনারা এই ব্যবসা।  প্রথমাবস্থায়কিন্তু আপনারা চাইনিজ  মোগলাই খাবার দিয়ে ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন কারণ এই   ধরনের খাবার সকলের  কাছেই কিন্তু আসলে পরিচিত আর সমাদৃত।

আর আপনারা চাইলে কিন্তু আস্তে আস্তে করে ওর জন্য সকল যে খাবার রয়েছে সে সকল খাবারগুলো রাখার কথা ভাবতে পারেন আপনাদের কাস্টমারদের চাহিদা অনুযায়ী।

. বেকারির ব্যবসা শুরু করতে পারেন  

পাঁউরুটি কিন্তু  সকল ধরনের  মানুষেরাই  খায়   আর এই খাবারটা কিন্তু খুব বেশি দিন রেখে দেওয়া যায় না।  আর তাই আপনারা যদি আঞ্চলিকভাবে  পাঁউরুটি  বানিয়ে কিন্তু আপনার এলাকার মানুষদের চাহিদা মেটাতে পারেন টাটকা পাঁউরুটি  সরবরাহ যদি করেন তাহলে কিন্তু মানুষেরা বাহিরের পাউরুটি আর কিনবে না   পাউরুটি সাথে সাথে কিন্তু আপনারা কেক  , বিস্কুট এই  সমস্ত জিনিস গুলো   বানানো শুরু করতে পারেন   এটা কিন্তু একটা উত্পাদনমুখী  ব্যবসা হওয়ার কারণে  প্রাথমিকবিনিয়োগ খানিক বেশি। একটা কারখানা  বানানোর পরে তাতে কিন্তু   দরকারি  যে সকল যন্ত্রপাতিরয়েছে সেগুলো রাখতে হবে   কিন্তু আপনাদের ব্যবসা যদি একবার চালু হয়ে যায় তখন কিন্তু আপনাদের ওই টাকাটা উঠে আসবে ওটা নিয়ে আপনাদের ভাবতে হবে না   

. ঔষধের দোকান দিতে পারেন  

শহরের মানুষদেরমত  কিন্তু গ্রামের মানুষদের ওষুধের দরকার হয়ে থাকে যদিও বা শহরে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে ওষুধের দোকান রয়েছেদেখা যায় যে অলিতেগলিতে অনেক ওষুধের দোকান রয়েছে   

কিন্তু গ্রামাঞ্চলে  ওষুধের দোকান বেশি দেখা যায় না যদিও বা থাকে সেটাও  হাতে গোনা কয়েকটা দোকান   আর দেখা যায় যে অনেক জায়গায় রয়েছে যে জায়গা থেকে ওষুধের দোকান অনেক দূরে সেখানে যাওয়ার জন্য অনেক  সময় লেগে যায়  

 আর তাই সেজন্য গ্রামাঞ্চলে কারো যদি কোন অসুখ  হয় তাহলে ওষুধ কেনার জন্য কিন্তু অনেক দূরে ওষুধের দোকানে গিয়ে ওষুধ কিনে নিয়ে আসতে হয় তাছাড়া তো আর উপায় নেই অনেক সময় দেখা যায় যেসঠিক সময়ে ওষুধ না পাওয়ার কারণে অনেক রোগী রয়েছে যারা কিন্তু মৃত্যুবরণ পর্যন্ত করে 

আর তাই আপনারা যদি গ্রামাঞ্চলে একটা ভালো ভাবে ওষুধের দোকান দিয়ে বসতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না  

অর্থাৎ আপনাকে কিন্তু আর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে না এই ওষুধের দোকান দিয়ে আপনি অনেক কিছু করে ফেলতে পারবেন  আর এটা কিন্তু সব থেকে ভালো একটা ব্যবসার আইডিয়া হতে পারে গ্রামে ব্যবসা করার জন্য   

কিন্তু এই ব্যবসা শুরু করার আগে অবশ্যই আপনাদের মনে রাখতে হবে যে হুট করেই কিন্তু আপনারা এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না  কোন কিছু না জেনে বুঝেই কিন্তু আপনারাই ব্যবসা শুরু করতে চাইলেই  শুরু করতে পারবে না  

আর এর একমাত্র কারণ হল আপনি কিন্তু ঔষধ সম্পর্কে কিছু জানেন নাকোন ওষুধ কিসের জন্য লাগে বা ঔষধের নাম  কোন রোগ হলে কি ওষুধ খেতে হয় এই সমস্ত বিষয় গুলো কিন্তু আপনাকে জানতে হবে আর প্রথম অবস্থায় কিন্তু আপনি এগুলো কিছু জানবেন না 

আর এই সমস্ত বিষয়গুলোতেআপনি যদি দক্ষ হতে চান তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হল ,আপনি কোন ঔষধের দোকানের 6 মাস থেকে 1 বছর কাজ করতে পারেন চাইলে

আর তার পরে না হয় নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারেনআর অন্যের দোকানে যদি আপনারা সবাই থেকে একমাস কাজ করেন তাহলে কিন্তু আপনাদের অভিজ্ঞতা বেড়ে যাবে আর আপনারা কিন্তু সকল বিষয়গুলোবুঝতে পারবেন  

কোন রোগের কোন ঔষধএর পরে কোন  ঔষধের নাম কি কোন রোগ হলে কি ওষুধ লাগে এই সমস্ত বিষয় গুলো কিন্তু আপনারা ভালোভাবে জেনে যাবেন আর তারপরে কিন্তু আপনারা আপনাদের নিজেদের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন 

আশা করে যে বুঝতে পেরেছেনকেন আপনারা প্রথম অবস্থায়এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না কেন আপনাদের অন্যের দোকানেমাস থেকেবছর কাজ করা লাগবে 

 

. দুধ দুগ্ধজাত দ্রব্যের ব্যবসা  

 

চাষবাস এবং এর সাথে  কৃষিকাজ করার মত কিন্তু  গরুমহিষ  পালন  করাটাও  কিন্তু গ্রামের মানুষদের জন্য জীবিকা নির্বাহ করার অন্যতম একটি মাধ্যম হতে পারে   

বর্তমান সময়ে কিন্তু এখন দেখা যায় যে সাধারণভাবে গ্রামে গরুমহিষ বেশি পরিমাণে পালন করা হয়ে থাকে , কিন্তু ভারত  এবং  বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে দুধের চাহিদা রয়েছে , দুধের উৎপাদনযতটা পরিমাণে রয়েছে তা থেকে দুধের চাহিদা প্রচুর পরিমাণে রয়েছে   আর যার কারণে দেখা যায় কিন্তু খাঁটি দুধের অনেক বেশি অভাব রয়েছে আমাদের  দেশের বাজারগুলোতে  

আপনারা চাইলে কিন্তু দুধের খামার অথবা যাদের বাড়িতে  গরু আছে  সেই সমস্ত মানুষদের সাথে যোগাযোগ করে  একটা দুধ কেন্দ্র  অথবা  দুধের ব্যবসা  শুরু করে দিতে পারেন 

আর এই ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে সবার প্রথমে আপনাকে একটা ভালো জায়গা নির্ধারণ করতে হবে তারপরে আপনাদেরকে দুধ মজুত করার মতো জায়গা  বানিয়ে নিতে হবে এবং সেখানে আপনাদেরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে সবসময় কারণ দুধ অপরিষ্কার  এবং  অস্বাস্থকর  জায়গাতেও দুধ নষ্ট   হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি পরিমাণে থাকে  

আপনারা চাইলে একটা দুধ কেন্দ্র অথবা  দুধের ব্যবসা খুলে ভালো পরিমাণে একটি লাভ করতে পারবেন  আর এর একমাত্র কারণ হল দুধের চাহিদা প্রচুর পরিমাণে থাকে সবসময়  আর আপনারা যদি গ্রামে বসে ব্যবসার আইডিয়া কথা ভেবে থাকেন তাহলে এটা কিন্তু আপনাদের জন্য সেরা একটি ব্যবসার  আইডিয়া হতে পারে  

বিনিয়োগ  কি পরিমানে  করা লাগবে : ছোট ভাবে  যদি শুরু করতে চান তাহলে প্রথম অবস্থা আপনাদের ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে৩০ হাজার টাকা  এবং বড় ভাবে মানে  সেখানে দুধের গুণমান পরীক্ষা  করা এবং এর সাথে  দুধের চর্বি পরিমাপ করার জন্য কিছু যন্ত্রপাতি এর দরকার হবে আর তার জন্য আপনাদের সাধারণভাবে দেখা যাবে যে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে  ৮০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করা লাগতে পারে।

. মাছের পাইকারি ব্যবসা : 

গ্রামে যদি আপনাদের জায়গা থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে এই ব্যবসাটি আপনার জন্য  সবথেকে ভালো হবে  আপনারা আপনাদের জায়গাতে একটা পুকুর খনন করে সেখানে  মাছের পোনা ফেলবেন সামান্য পরিমাণে  ফিডদিয়ে কেজি  হয়ে যাওয়ার পর আপনারা সেটাকে শহরে  অথবা গ্রামের বাজারে বিক্রি  করে কিন্তু বেশ ভালো পরিমাণে একটা লাভবান হতে পারবেন।  

আর এই ব্যবসাটি আপনারা খুব সহজেই করতে পারবেন এর জন্য আপনাদের খুব বেশি একটা কষ্ট করার দরকার হবে না। 

বেশী  মূলধনএর আপনাদের দরকার হবে না এইব্যবসাটা আপনারা গ্রামে শুরু করবেন তাহলে আপনাদের মুনাফা বেশি পরিমাণে হবে , অর্থাৎ আপনাদের  রোজগারের  পরিমাণটা বেশি পরিমাণে হবে  

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *